১০ জুন ২০২৬

কাতারে জন্ম নেওয়া প্রবাসীদের ‘জাতীয় সেবা’র সুযোগ, মিলবে স্থায়ী বসবাসের অগ্রাধিকার

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১০, ২০২৬
কাতারে জন্ম নেওয়া প্রবাসীদের ‘জাতীয় সেবা’র সুযোগ, মিলবে স্থায়ী বসবাসের অগ্রাধিকার

কাতারে বসবাসরত প্রবাসী ও কাতারি মায়েদের সন্তানদের জন্য দেশটির সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের এক অভাবনীয় সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক ঐতিহাসিক ঘোষণায় জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অ-কাতারি বাসিন্দা (প্রবাসী) এবং কাতারি মায়েদের সন্তানরা এখন থেকে জাতীয় সেবা কর্মসূচিতে (ন্যাশনাল সার্ভিস প্রোগ্রাম) যোগ দিতে পারবেন।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে।

আবেদনের জন্য কী কী যোগ্যতা লাগবে?

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:

  • জন্মস্থান ও বয়স: আবেদনকারীকে অবশ্যই কাতারে জন্মগ্রহণ করতে হবে এবং বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

  • চরিত্র ও অপরাধের রেকর্ড: প্রার্থীকে সচ্চরিত্র ও সুনামের অধিকারী হতে হবে। অসততা বা বিশ্বাসভঙ্গের মতো কোনো অপরাধের রেকর্ড থাকা যাবে না। এছাড়া পূর্বে কোনো চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার ইতিহাস থাকা চলবে না।

  • শারীরিক যোগ্যতা: শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে এবং ভর্তি সাক্ষাৎকারে সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে।

  • বৈধতা: আবেদনকারীর কাতারে থাকার জন্য একটি বৈধ রেসিডেন্স পারমিট বা বসবাসের অনুমতিপত্র (কাতার আইডি) থাকতে হবে।

বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা

এই কর্মসূচিতে যারা যোগ দেবেন, তারা বেশ কিছু আকর্ষণীয় ও দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা পাবেন:

  • মেয়াদ ও ভাতা: এই সেবার মেয়াদ পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। কর্মসূচিকালীন প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৭,০০০ কাতারি রিয়াল পর্যন্ত আর্থিক প্রণোদনা বা ভাতা দেওয়া হবে।

  • চাকরির অগ্রাধিকার: এই সেবা সফলভাবে শেষ করার পর অংশগ্রহণকারীরা কাতার সশস্ত্র বাহিনীতে স্থায়ীভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

  • স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার সুযোগ: সেবা সম্পন্ন করার পর কাতারের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি) পাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রবাসীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

কীভাবে আবেদন করবেন?

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে 'নিয়োগ' (রিক্রুটমেন্ট) অপশনটি বেছে নিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • কাতার আইডি কার্ডের অনুলিপি।

  • একটি বৈধ পাসপোর্টের অনুলিপি।

  • কাতারে জন্মগ্রহণকারীদের জন্য জন্ম সনদের অনুলিপি।

  • কাতারি মায়েদের সন্তানদের জন্য অতিরিক্ত হিসেবে মায়ের পাসপোর্ট ও জন্ম সনদের অনুলিপি।

কাতারে জন্ম নেওয়া প্রবাসীদের ‘জাতীয় সেবা’র সুযোগ, মিলবে স্থায়ী বসবাসের অগ্রাধিকার

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১০, ২০২৬
কাতারে জন্ম নেওয়া প্রবাসীদের ‘জাতীয় সেবা’র সুযোগ, মিলবে স্থায়ী বসবাসের অগ্রাধিকার

কাতারে বসবাসরত প্রবাসী ও কাতারি মায়েদের সন্তানদের জন্য দেশটির সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের এক অভাবনীয় সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক ঐতিহাসিক ঘোষণায় জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অ-কাতারি বাসিন্দা (প্রবাসী) এবং কাতারি মায়েদের সন্তানরা এখন থেকে জাতীয় সেবা কর্মসূচিতে (ন্যাশনাল সার্ভিস প্রোগ্রাম) যোগ দিতে পারবেন।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে।

আবেদনের জন্য কী কী যোগ্যতা লাগবে?

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:

  • জন্মস্থান ও বয়স: আবেদনকারীকে অবশ্যই কাতারে জন্মগ্রহণ করতে হবে এবং বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

  • চরিত্র ও অপরাধের রেকর্ড: প্রার্থীকে সচ্চরিত্র ও সুনামের অধিকারী হতে হবে। অসততা বা বিশ্বাসভঙ্গের মতো কোনো অপরাধের রেকর্ড থাকা যাবে না। এছাড়া পূর্বে কোনো চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার ইতিহাস থাকা চলবে না।

  • শারীরিক যোগ্যতা: শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে এবং ভর্তি সাক্ষাৎকারে সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে।

  • বৈধতা: আবেদনকারীর কাতারে থাকার জন্য একটি বৈধ রেসিডেন্স পারমিট বা বসবাসের অনুমতিপত্র (কাতার আইডি) থাকতে হবে।

বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা

এই কর্মসূচিতে যারা যোগ দেবেন, তারা বেশ কিছু আকর্ষণীয় ও দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা পাবেন:

  • মেয়াদ ও ভাতা: এই সেবার মেয়াদ পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। কর্মসূচিকালীন প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৭,০০০ কাতারি রিয়াল পর্যন্ত আর্থিক প্রণোদনা বা ভাতা দেওয়া হবে।

  • চাকরির অগ্রাধিকার: এই সেবা সফলভাবে শেষ করার পর অংশগ্রহণকারীরা কাতার সশস্ত্র বাহিনীতে স্থায়ীভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

  • স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার সুযোগ: সেবা সম্পন্ন করার পর কাতারের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি) পাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রবাসীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

কীভাবে আবেদন করবেন?

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে 'নিয়োগ' (রিক্রুটমেন্ট) অপশনটি বেছে নিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • কাতার আইডি কার্ডের অনুলিপি।

  • একটি বৈধ পাসপোর্টের অনুলিপি।

  • কাতারে জন্মগ্রহণকারীদের জন্য জন্ম সনদের অনুলিপি।

  • কাতারি মায়েদের সন্তানদের জন্য অতিরিক্ত হিসেবে মায়ের পাসপোর্ট ও জন্ম সনদের অনুলিপি।

কাতারে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১০, ২০২৬

কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র 'শাফাল্লাহ'-এর ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্নাতক বা সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে শাফাল্লাহ কেন্দ্রের সদর দপ্তরে এই জমকালো অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে কেন্দ্রের ৩৬ জন বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন স্নাতক শিক্ষার্থীকে সম্মানিত করেন এবং তাদের হাতে সনদ তুলে দেন।

শিক্ষার্থীদের জীবনের নতুন এই পথচলাকে উদযাপন করতে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কাতার সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শাফাল্লাহ কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মী এবং স্নাতক শেষ করা শিক্ষার্থীদের আবেগাপ্লুত অভিভাবকেরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

কাতারে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমাজের মূল ধারায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের মেধার স্বীকৃতি দেওয়ার অংশ হিসেবে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি হামলার নিন্দা জানাল কাতার

প্রকাশ: শনিবার, জুন ০৬, ২০২৬
কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি হামলার নিন্দা জানাল কাতার

কুয়েত ও বাহরাইনে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে কাতার। এসব হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনাও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে বলে জানিয়েছে দেশটি।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ধরনের হামলা ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। বিশেষ করে বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ—এই নীতিও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

দোহা আরও জানায়, তারা বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে এবং পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য সব পক্ষকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানায়।

কাতার কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়।